আধুনিক বিশ্বে শিল্প, শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, সামরিক ক্ষেত্রসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই মনোবিজ্ঞানীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন, কিন্তু বাংলাদেশে এ সব ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানের জ্ঞানকে যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে না। ২০০৬ সালের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এবং বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ উদ্যোগে মানসিক সমস্যা সম্পর্কিত এক জাতীয় পর্যায়ের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১৬.১ শতাংশ নানাবিধ মানসিক সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যার পিছনের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে শৈশবকালীন বিলম্বিত বিকাশ, অপুষ্টি, যথাযথভাবে প্রতিপালনের অভাব, নিরক্ষরতা, আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাব, দারিদ্র্য বেকরাত্ব, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। মানুষ নানা প্রকার শারীরিক সমস্যা যেমন: ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হৃদরোগ, হাঁপানি, এজমা, মাইগ্রেন ইত্যাদিতে ভুগে থাকে। আর এসব রোগেরসঙ্গে মানসিক সুস্থতার গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।

যথাযথ পদ্ধতিতে শিক্ষাদান এবং শিক্ষার্থীর সঠিক মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞান শিক্ষালব্ধ জ্ঞানের যথাযথ প্রয়োগের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। সামাজিক ঘটনাবলীর বিশ্লেষণ, কারণ নির্ধারন এবং সমাধানের ক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানের জ্ঞান সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে পারে বলে আমার বিশ্বাস।

 


মোঃ আলম মিঞা
চেয়ারম্যান
সহযোগী অধ্যাপক
মনোবিজ্ঞান বিভাগ